উত্তরঃ ফরিদারী কার্যবিধে আইনের ১০৯ ধারা ও ১১০ ধারার মধ্যে পার্থক্য নিম্নে ছকের মাধ্যমে আলোচনা করা হলো-
|
ফৌজদারী কার্যবিধি
আইনের ১০৯ ধারা |
ফৌজদারি কার্যবিধি
আইনের ১১০ ধারা |
|
১। এই ক্ষেত্রে অপরাধী
সাধারণ প্রকৃতির এবং তার জীবিকা নির্বাহের প্রকাশ্য কোন উৎস নেই। |
১। অপরাধী
দুর্দান্ত ও বিপজ্জনক প্রকৃতির এবং জীবিকা জীবিকা নির্বাহের জন্য যেকোনো অপরাধে
লিপ্ত হইতে পারে। |
|
২। মামলা দায়ের করার
মতো ঘটনার সৃষ্টি হইলে হরিদ্বারী কার্যবিধি আইনের ৫৫ ধারা মোতাবেক গ্রেফতার করতে
হবে। |
২। মামলা দায়ের
করার মত প্রয়োজনীয় সাক্ষী পাওয়া গেলে কার্যবিধি আইনের ৫৫ ধারা মোতাবেক
গ্রেফতার করতে হবে। |
|
৩। এক্ষেত্রে অপরাধী
এলাকায় নিজের উপস্থিতি গোপন রাখার জন্য সর্বদা সতর্কতা অবলম্বন করেন। |
৩। অপরাধী অভ্যাসগতভাবে
দস্যু গৃহ ভঙ্গকারী চোর বা জালিয়াত, চোরাই মালামাল গ্রহণকারী এবং আশ্রয়দাতা। |
|
৪। সন্দেহজনক
ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিবর্তন মুলক ব্যবস্থা। |
৪। চোর এবং গ্যাংদের
বিরুদ্ধে নিবর্তনমুলক ব্যবস্থা |
|
৫। এই ক্ষেত্রে
হিস্ট্রি সিট খুলতে হয় না |
৫। এই ক্ষেত্রে
হিস্ট্রি খুলতে হয় |
|
৬। অপরাধের
অপরাধের বিচার ফৌজদারী কার্যবিধে
আইনের ১০৯ ধারায় সংশ্লিষ্ট
আদালতে সম্পন্ন করা |
৬ অপরাধীর বিচার
ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১১০ ধারা মোতাবেক নিজ
থানা এলাকার জনসাধারণের উপস্থিতিতে সম্পন্ন করা হবে। |
|
৭। অভিযুক্ত আসামিকে
সর্বমোট ১৫ দিন পর্যন্ত জেল হাজতে আটক রাখা যাবে |
৭। অভ্যন্তরীণ সময়কাল
নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ নাই |
|
৮। এই ধারায়
মুচলেকা সম্প্রদানের আদেশ প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
দিতে পারেন |
৮। এই ধারায় মুচলিকা
সম্পাদনের আদেশ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত
প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট দিতে পারেন |
|
৯। এই ধারার
অপরাধের জন্য মুচলেকার মেয়াদ এক বছর |
৯। এই ধারার অপরাধের
জন্য মুচলেকার মেয়াদ ৩ বছর |
|
১০। মুচলেকা প্রদানকারী
যে কোন এলাকার লোক হতে পারে। |
১০। মুচলেকা
প্রদানকারী কে নিজ থানা এলাকার বাসিন্দা হতে হবে। |
|
১১। পিআরবি নিয়ম ২৮৮ |
পিআরবি নিয়ম ২৮৯/২৯০ |
0 মন্তব্যসমূহ