আঙ্গুলের ছাপকে ভিজিটিং কার্ড বলার কারণগুলো:
অভিন্নতা: প্রতিটি মানুষের আঙুলের ছাপ একক ও ভিন্ন, যা কোনোভাবেই অন্য কারো সঙ্গে মিলে না। ঠিক যেমন একটি ব্যক্তির ভিজিটিং কার্ডে তার নাম ও পরিচয় থাকে।
অপরাধস্থলে উপস্থিতির প্রমাণ: অপরাধ সংঘটনের সময় যদি কোনো ব্যক্তি সেখানে থাকে, তবে সে স্থান স্পর্শ করার মাধ্যমে আঙ্গুলের ছাপ রেখে যায়। এটিই তার উপস্থিতির শক্ত প্রমাণ হয়ে দাঁড়ায়।
পরিচয় সনাক্তকরণে কার্যকর: অপরাধী পলাতক থাকলেও, তার আগের নথিভুক্ত আঙ্গুলের ছাপের সাথে মেলিয়ে সহজেই তাকে শনাক্ত করা যায়।
নীরব সাক্ষী: আঙ্গুলের ছাপ কথা বলে না, কিন্তু তা অপরাধীর উপস্থিতি ও সম্পৃক্ততার অব্যর্থ সাক্ষী হিসেবে আদালতে ব্যবহৃত হয়। আঙ্গুলের ছাপ সাক্খ্য আইনের ৪৫ ধারা মোতাবেক আদালতে প্রাসঙ্গিক।
পরিশেষে এইসব কারণেই আঙ্গুলের ছাপকে “ভিজিটিং কার্ড” বলা হয়—কারণ এটি অপরাধস্থলে অপরাধীর নিজের উপস্থিতির অব্যর্থ চিহ্ন হয়ে থাকে, যা তাকে শনাক্ত করতে সাহায্য করে।
1 মন্তব্যসমূহ
very nice
উত্তরমুছুন