অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণার মধ্যে পার্থক্য নিম্নে ছকের মাধ্যমে আলোচনা করা হলো ঃ

ক্র. নং অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ  প্রতারণা 
১।

সংজ্ঞাঃ যখন কেউ
অন্যের নিকট থেকে আইনসম্মতভাবে কোন সম্পত্তি বা অর্থ গ্রহণ
করে এবং পরবর্তীতে তা নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করে আত্মসাৎ, অপব্যবহার বা
বিশ্বাসভঙ্গ করে,
তখন
তা অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ।
পেনাল কোডের ৪০৫ ধারা
সংজ্ঞাঃ যখন কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যকে ধোঁকা দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ, সম্পত্তি বা কোনো সুবিধা আদায় করে, অথবা ভুক্তভোগীকে ক্ষতির সম্মুখীন করে, তখন তা প্রতারণা। পেনাল কোডের ৪১৫ ধারা
২।

এখানে সম্পত্তি বা অর্থ বিশ্বাসের ভিত্তিতে বৈধভাবে অপরাধীর
হাতে আসে।

এখানে সম্পত্তি বা অর্থ শুরু থেকেই মিথ্যা কথা বা প্রতারণার মাধ্যমে আদায় করা হয়।
৩।
মূল বিষয় হলো
বিশ্বাসভঙ্গ ও
আত্মসাৎ।
মূল বিষয় হলো প্রতারণা ও ধোঁকা।
৪।


উদাহরণ: কর্মচারী মালিকের টাকা
হিসাবের জন্য রেখে নিজের প্রয়োজনে খরচ করা।

উদাহরণ: মিথ্যা পরিচয়ে জমি বিক্রি করে টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়া।
৫।
প্রমাণ করতে হয় যে অপরাধী বিশ্বাসভঙ্গ করে সম্পত্তি আত্মসাৎ করেছে।

প্রমাণ করতে হয় যে অপরাধী প্রথম থেকেই প্রতারণার উদ্দেশ্যে মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

৬।


শাস্তি পেনাল কোডের
৪০৭ হতে ৪০৯ ধারা।

শাস্তি  পেনাল কোডের ৪১৬–৪২০ ধারা।



৭।



সাধারণ
ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩
বছর কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয়ই
 ( (pc Sec. 406)। 

সরকারী কর্মচারীর খেত্রে  শাস্তি ১০
 বছর pc sec: 409

শাস্তি: সাধারণ প্রতারণার জন্য সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড বা জরিমানা বা উভয়ই (pc Sec. 417

গুরুতর প্রতারণার জন্য সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড + জরিমানা (pc Sec. 420)।
৮।

এটি ঘটে যখন
অপরাধীর হাতে বৈধভাবে সম্পত্তি আসে, কিন্তু সে পরে তা আত্মসাৎ করে।
এটি ঘটে যখন অপরাধীর হাতে সম্পত্তি অবৈধভাবে, প্রতারণা করে আসে।


📱 পুলিশ পদোন্নতি অ্যাপ

⬇️ Download