এজাহারের ত্রুটি বা বিচ্যুতি সমূহঃ-

১. সরকার নির্ধারিত ফরমে লিপিবদ্ধ না হলে

যেমন: বিপি ফরম নং-২৭ বা বেঙ্গল ফরম নং-৫৩৫৬ অনুসারে না হলে।

২. অপরাধ আমলযোগ্য না হলে

এজাহারে উল্লেখিত অপরাধ যদি অ-আমলযোগ্য হয়, এজাহার গ্রহণযোগ্য হবে না।

৩. থানা ও জেলার নাম অনুপস্থিত থাকলে

৪. মামলা নম্বর ও তারিখ উল্লেখ না থাকলে

৫. ঘটনার তারিখ ও সময় স্পষ্ট না থাকলে

৬. থানায় পেশ করার তারিখ ও সময় উল্লেখ না থাকলে

৭. ঘটনার স্থান, থানা থেকে দূরত্ব, দিক ও এলাকা উল্লেখ না থাকলে

৮. থানা থেকে প্রেরণের তারিখ ও সময় না থাকলে

৯. অভিযোগকারীর স্বাক্ষর বা টিপসহি না থাকলে

১০. লিপিবদ্ধকারী অফিসারের স্বাক্ষর/সত্যায়ন না থাকলে

১১. অভিযোগকারী/সংবাদদাতার নাম, বয়স, ঠিকানা উল্লেখ না থাকলে

১২. আসামীর নাম, ঠিকানা, বয়স উল্লেখ না থাকলে

১৩. সংশ্লিষ্ট ধারাসহ অপরাধের বিবরণ উল্লেখ না থাকলে

১৪. লুণ্ঠিত দ্রব্য বা ক্ষতিগ্রস্ত মালামালের বিবরণ না থাকলে

১৫. বিলম্বে দাখিলের কারণ উল্লেখ না থাকলে

১৬. ডাকাতির এজাহারে ডাকাতদের সংখ্যা, ভাষা, পোশাক ইত্যাদি বর্ণনা না থাকলে

১৭. অপরাধে ব্যবহৃত অস্ত্র/জিনিসপত্রের বিবরণ না থাকলে


 উপরোক্ত ত্রুটিগুলো থাকলে এজাহার ত্রুটিপূর্ণ ও দুর্বল হয়ে পড়ে। এতে মামলার বিশ্বাসযোগ্যতা কমে যায় এবং আদালতে গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

সিআরপিসি আইনের ১৫৪ ধারা, পিআরবি নিয়ম ২৪৩

📱 পুলিশ পদোন্নতি প্রস্তুতি আপস

⬇️ Download Now