ক্রোকি পরোয়ানা এবং ক্রোক কাকে বলে? ক্রোকি পরোয়ানা তামিল কিভাবে করতে হয়?

উত্তরঃ ক্রোকি পরোয়ানাঃ ১৮৯৮ সালে সিআরপিসি  আইনের ৮৮(১) ধারা  ও পিআরবি  নিয়ম ৪৭৪  মোতাবেক যদি কোন পলাতক বা ফেরারী আসামি বিজ্ঞ আদালত হইতে  হুলিয়া জারির নির্দিষ্ট সময়ের পর হাজির না হয়,তবে বিজ্ঞ  আদালত উক্ত আসামিকে হাজির করার জন্য তার স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি হেফাজতে নেওয়ার জন্য স্বাক্ষর ও সীলমোহরযুক্ত যে আদেশনামা ইস্যু করেন তাকেই ক্রোকি পরোয়ানা বলে। সিআরপিসি আইনের ৮৮ (১) ধারা, পিআরবি নিয়ম ৪৭৪ 

ক্রোকঃ ক্রোকি পরোয়ানা ইস্যুর পর আদালত যখন পলাতক আসামীর স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি হেফাজতে নিয়ে নেয় তখন তাকে ক্রোক বলে। সিআরপিসি আইনের  ৮৮ ধারা, পিআরবি নিয়ম ৪৭৪। 


@@ ক্রোকি পরোয়ানা তামিলের পদ্ধতি আলোচনা করা হলেঃ

১. যে জেলায় আসামির নামে ক্রোকি পরোয়ানা  জারি হবে,সেই জেলার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটেরর মাধ্যমে আসামির নিজ থানায় ক্রোকি পরোয়ানা পাঠাইতে হবে। সিআরপিসি  আইনের ৮৮(২) ধারা,

২. অস্থাবর সম্পত্তি হলে থানার অফিসার ইনচার্জ  তাহা জব্দ করে হেফাজতে নেবেন।

ক. জব্দতালিকা প্রস্তুত করে।

খ. রিসিভার নিয়োগ করে।

গ.সম্পত্তি হস্তান্তর নিষিদ্ধ করে।

ঘ. আদালতের ইচ্ছানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

সিআরপিসি আইনের ৮৮(৩)  ধারা,


৩. স্থাবর সম্পত্তির আদেশ হলেঃ-

ক. দখল করে।

খ. রিসিভার নিয়োগ করে।

গ.হস্তান্তর নিষেধ করে।

ঘ. আদালতের ইচ্ছানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

সিআরপিসি  আইনের ৮৮(৪) ধারা,


৪. গৃহ পালিত পশু বা পঁচনশীল প্রকৃতির কিছু হলে বিক্রয়ের আদেশ দিতে পারেন। বিক্রীত অর্থ  সরকারী কোষাগারে জমা হবে। সিআরপিসি  আইনের ৮৮(৫) ধারা।


৫.যদি পলাতক আসামি ক্রোকের তারিখ হতে ২ বছরের মধ্য হাজির হয়,তবে বিক্রিকৃত অর্থের খরচ ব্যতীত সকল অর্থ ও সম্পত্তি ফেরত দেয়া হবে। যদি ঐ আসামী ২ বছরেও হাজির না হয় তবে তার সম্পত্তিগুলো বাজেয়াপ্ত করা হবে। সিআরপিসি  আইনের ৮৯ ধারা, পিআরবি নিয়ম ৪৭৪।