হোয়াইট কলার অপরাধ কী?
এই White Collar Crime শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন অপরাধ বিজ্ঞানী এডোইন সাদারল্যান্ড।
এটি মূলত এমন অপরাধ যা সাধারণত উচ্চ পদস্থ, প্রভাবশালী বা শিক্ষিত শ্রেণির লোকেরা করে থাকে অর্থনৈতিক বা পেশাগত স্বার্থে, যেখানে সাধারণত সহিংসতা থাকে না, বরং থাকে প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ বা ক্ষমতার অপব্যবহার।
👉 উদাহরণ:
ব্যাংক জালিয়াতি
কর ফাঁকি
ঘুষ গ্রহণ
অর্থপাচার
শেয়ারবাজারে জালিয়াতি
ভুয়া প্রতিষ্ঠান খোলা
হোয়াইট কলার অপরাধের বৈশিষ্ট্য ✅
১. অহিংস প্রকৃতি:
সাধারণত কারো শারীরিক ক্ষতি না করে আর্থিক বা সামাজিক ক্ষতি করে।
২. উচ্চবিত্ত বা শিক্ষিত শ্রেণির সাথে জড়িত:
প্রভাবশালী, অফিসার, কর্পোরেট কর্মচারী বা ক্ষমতাবানরা এ অপরাধ বেশি করে থাকে।
৩. বিশ্বাসভঙ্গ ও প্রতারণা:
মানুষের আস্থা বা বিশ্বাসকে কাজে লাগিয়ে প্রতারণা করা হয়।
৪. আর্থিক উদ্দেশ্য:
প্রধান লক্ষ্য থাকে অবৈধ আর্থিক লাভ।
৫. সংগঠিতভাবে সংঘটিত:
অনেক সময় পরিকল্পিত ও জটিল উপায়ে দলগতভাবে সংঘটিত হয়।
৬. আইনি প্রমাণ জটিলতা:
সহজে ধরা পড়ে না, কারণ নথি, কাগজপত্র বা হিসাব–নিকাশের ভেতর লুকিয়ে থাকে।
৭. সমাজে সম্মান বজায় থাকে:
অপরাধী অনেক সময় সমাজে সম্মানিত ব্যক্তি হিসেবেই পরিচিত থাকে, ফলে সহজে সন্দেহ হয় না।
এক কথায়, হোয়াইট কলার অপরাধ হলো চালাকির মাধ্যমে ক্ষমতা ও অবস্থান ব্যবহার করে মানুষকে ঠকানো বা অবৈধভাবে টাকা কামানো
0 মন্তব্যসমূহ