অপরাধ সংঘটিত হলে ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত বিভিন্ন প্রমাণ রাসায়নিকভাবে বিশ্লেষণ করা হয়। এসব আলামতের রাসায়নিক পরীক্ষা অপরাধ তদন্তে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

যেসব আলামতের রাসায়নিক পরীক্ষা করা হয়ঃ

১. শরীরবৃত্তীয় আলামতঃ

  • রক্ত → অ্যালকোহল, ড্রাগ বা বিষাক্ত পদার্থ শনাক্তকরণ।
  • প্রস্রাব → ড্রাগ বা বিষ পরীক্ষা।
  • পাকস্থলীর তরল / বমি → বিষক্রিয়া নির্ণয়।
  • লালা ইত্যাদি।

২. বিষাক্ত ও নেশাজাতীয় পদার্থঃ

  • গাঁজা, হেরোইন, ইয়াবা, কোকেন ইত্যাদি।
  • কীটনাশক, বিষাক্ত রাসায়নিক।
  • অ্যালকোহল বা নেশাজাতীয় পানীয়।

৩. অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরক সংক্রান্ত আলামতঃ

  • দাহ্য পদার্থ → কেরোসিন, পেট্রল, ডিজেল ইত্যাদি।
  • বিস্ফোরক অবশিষ্টাংশ → গানপাউডার, TNT, RDX ইত্যাদি।
  • পোড়া মাটি, কাঠ, ধ্বংসাবশেষ।

৪. ডকুমেন্ট ও নকল সংক্রান্ত আলামতঃ

  • কাগজ ও কালি → জাল নথি, স্বাক্ষর বা নকল টাকা শনাক্তকরণ।
  • জাল ওষুধ বা ভেজাল দ্রব্য।

৫. বস্ত্র ও অন্যান্য বস্তুঃ

  • পোশাক → রক্ত, দাগ বা রাসায়নিক চিহ্ন।
  • খাবার ও পানীয় → বিষ মেশানো হয়েছে কি না তা যাচাই।
  • প্রসাধনী ও ওষুধ।


  • উপসংহারঃ

অপরাধ তদন্তে রক্ত, প্রস্রাব, বিষাক্ত দ্রব্য, মাদকদ্রব্য, অ্যালকোহল, অগ্নিকাণ্ড ও বিস্ফোরক অবশিষ্টাংশ, কালি, কাগজ, খাবার এবং পোশাক ইত্যাদির রাসায়নিক পরীক্ষা করা হয়। এর মাধ্যমে বৈজ্ঞানিকভাবে অপরাধ প্রমাণ করা সম্ভব হয়।

✅ এখনই অর্ডার করুন